
মোবারক হোসেন | স্টাফ রিপোর্টার, জনগণের কণ্ঠ
ধোবাউড়া উপজেলার আল মদিনা স্কুল অ্যান্ড মাদরাসায় এক শিশুশিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর এবং দীর্ঘ সময় আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে এক শিশুকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের পর প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরিবারের দাবি, ওই সময় শিশুটির শরীরে থাকা আঘাতের চিহ্ন মুছে ফেলারও চেষ্টা করা হয়েছে। পরে শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের দাগ দেখতে পান স্বজনরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা সন্তানের নিরাপদ ও সুশিক্ষার আশায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠান। কিন্তু এমন ঘটনায় তারা চরম হতাশ ও মর্মাহত হয়েছেন। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাসনের নামে কোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মতো আচরণ করবেন— এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
তবে এ প্রতিবেদনটি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ নয়। বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও মানবিক, দায়িত্বশীল ও আন্তরিক আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে অভিভাবকরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থী এমন পরিস্থিতির শিকার না হয়, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
