
এলাকার শিক্ষার আলো ছড়াতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের ভূমিকা অপরিসীম। বগুড়া জেলার, ধুনট উপজেলার, নিমগাছি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বেরেরবাড়ী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে অত্র অঞ্চলের শিক্ষাপ্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের বর্তমান মেয়াদের অবসান এবং নতুন সভাপতি নির্বাচনের হাওয়া লাগার পর থেকেই এলাকায় শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এখন একটাই প্রশ্ন: বেড়েরবাড়ী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসাবে এলাকাবাসী আসলে কাকে চায়?
বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে কেমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, তা নিয়ে কথা বলে জানা গেছে সাধারণ অভিভাবক, শিক্ষক এবং সচেতন এলাকাবাসীর মনের কথা।
## ১. শিক্ষানুরাগী ও সৎ ব্যক্তিত্ব
এলাকাবাসীর প্রথম এবং প্রধান দাবি হলো, যিনি সভাপতি হবেন তাকে অবশ্যই একজন প্রকৃত শিক্ষানুরাগী হতে হবে। নামসর্বস্ব বা কেবল রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পদ দখল করার মানসিকতাসম্পন্ন কাউকে তারা এই আসনে দেখতে চান না। মানুষ এমন একজনকে খুঁজছেন যার নিজের শিক্ষার প্রতি অনুরাগ আছে এবং যিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও একাডেমিক উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে সময় দিতে পারবেন। জনগণের কন্ঠ ডটকম, শিক্ষক, সুশীল সমাজ, স্টুডেন্ট, অভিভাবক সকলের সাথে কথা বলে জানতে পারেন এলাকার সত্য যোগ্য ব্যাক্তি প্রভাষক মোঃ আনোয়ার হোসেন।
এলাকা বাসী মনে করেন, যেহেন প্রভাষক আনোয়ার হোসেন, একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন সুতরাং স্যার প্রতিষ্ঠানের সকল বিষয় যে ভাবে বুঝতে পারবেন তা অন্য কেও পারবেন না। এই জন্য এলাকা বাসির জোর দাবী স্যার কে সভাপতি করা হোক।
## ২. দলাদলিমুক্ত ও নিরপেক্ষ অভিভাবক
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কখনো কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি হতে পারে না। সাধারণ অভিভাবকদের মতে, অতীতের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার আলোকেই তারা চান নতুন সভাপতি যেন কোনো ধরনের স্থানীয় দলাদলি বা গ্রুপিংয়ের ঊর্ধ্বে থাকেন। তিনি হবেন সবার অভিভাবক, যিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে একটি সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমন্বয় তৈরি করতে পারবেন।
## ৩. অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন
বিদ্যালয়ের নিয়োগ বাণিজ্য, ফান্ডের সঠিক ব্যবহার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা নতুন সভাপতির বড় চ্যালেঞ্জ হবে। এলাকাবাসী পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, তারা এমন একজন নীতিবান মানুষকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান যিনি কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়মের সাথে জড়াবেন না এবং বিদ্যালয়ের প্রতিটি পয়সার সঠিক হিসাব নিশ্চিত করবেন।
## ৪. আধুনিক ও তথ্যপ্রযুক্তি বান্ধব দূরদর্শী নেতা
বর্তমান যুগ ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশের যুগ। সাধারণ শিক্ষার্থীরা যাতে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে, সেজন্য বিদ্যালয়ে মানসম্মত কম্পিউটার ল্যাব, বিজ্ঞানাগার এবং আধুনিক লাইব্রেরির প্রয়োজন। এলাকাবাসী চান একজন তরুণ বা আধুনিক মনস্ক দূরদর্শী নেতাকে, যিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া নিয়ে আসতে পারবেন।
## ৫. স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ও সম্মানিত ব্যক্তি
সভাপতি হিসেবে এমন একজন মানুষের নাম আসা উচিত যার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। যিনি বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং যার কথায় অত্র এলাকার মানুষ আস্থা রাখতে পারে। একজন সম্মানিত ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিই পারেন বিদ্যালয়ের হারিয়ে যাওয়া গৌরব ফিরিয়ে আনতে।
## শেষ কথা
বেরেরবাড়ী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি শুধু একটি ভবন নয়, এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন গড়ার কারিগর। ব্যক্তিস্বার্থ বা রাজনৈতিক প্রভাবের চেয়ে বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ বড়—এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়েই পরিচালনা পরির্ষদের সভাপতি আনোয়ার স্যার কে নিবার্চিত করা হোক এইটাই এলাকা বাবির চাওয়া এবং সংশ্লিষ্ট মহলের চাওয়া সদ্য, যোগ্য ওম মেধাবী কেও নির্বাচিত হোক।
প্রভাষক আনোয়ার হোসেন এর পরিচয়।
আনোয়ার হোসেন বেড়েরবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পাশ করে, বাগবাড়ী কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং বাগবাড়ী শহীদ জিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে গনিত বিভাগে CGPA(3.76) ও (৩.৮৩) নিয়ে অর্নাস এবং মাস্টার্স শেষ করেন৷ এছাড়াও বিএড এবং এমএড ও সম্পূর্ণ করেছেন।
NTRCA এর ৫ টি সদন ও অর্জন করেছেন। প্রভাষক পদে চাকরি করার আগে, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ও ৩ বছর সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
