
যশোরে মেয়ের মায়ের সহযোগিতায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হাসপাতাল থেকে অপহরণের অভিযোগ; এমএম কলেজ খড়কি এলাকার শরিফ আবদুল্লাহ মামুন (নোবেল)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ
মেয়ের (সিজা খন্দকার) অভিযোগ নিচে দেওয়া হলো-
আমি সিজা খন্দকার। বর্তমানে যশোর মাইকেল মধুসূদন কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের রসায়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
গত ৩ জুন গভীর রাতে যশোরের নোভা হাসপাতাল থেকে আমাকে জোরপূর্বক ইনজেকশন প্রয়োগ করে অপহরণ করা হয়। পরবর্তীতে ৬ জুন আমার বাবা প্রশাসনের সহায়তায় আমাকে উদ্ধার করেন। আমার স্বামী একজন সৌদি প্রবাসী। তিনি সেখান থেকে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য অনুরোধ করেন।
অপহরণের সময় আমাকে হাত-পা বেঁধে রাখা হয় এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এছাড়া আমাকে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ দেওয়া হতো বলে আমার অভিযোগ। বর্তমানে আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ অবস্থায় আছি।
আমার অভিযোগ অনুযায়ী, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা হলেন-
1. নিলুফা বেগম (আমার মা)
1. শরিফ আবদুল্লাহ মামুন (নোবেল) – বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও বিষয়টি গোপন রেখেছেন বলে অভিযোগ
1. আব্দুর রহমান (নোবেলের সহযোগী)
1. আহসানুল ইসলাম জর্জ (আমার ভাসুর)
1. মীর হোসেন (আমার ছোট মামা)
আমার দাবি, আমাকে জোরপূর্বক বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই এই অপহরণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এ ঘটনায় আমার মা ও ভাসুরের সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে আমি অভিযোগ করেছি।
আমার অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হাতেনাতে আটক করা হলেও যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা গ্রহণ করা হয়নি। এছাড়া ঘটনার পর থেকে আমার বাবাকে বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং আমার ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
