মো: গোলাম রব্বানী তালুকদার, বগুড়া -:বগুড়ার সারিয়াকান্দী উপজেলার বাসিন্দা ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ হামিদুল আলম মিলন প্রতারণা মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসে শেষ পর্যন্ত কারাগারে গিয়েছেন। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে তদন্তাধীন থাকায় সোমবার দুপুরে তিনি আদালতে জামিনের জন্য ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বগুড়া সদর থানায় দায়ের করা মামলা নং–২১৭৩/২৫ এর অধীনে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪০৬ (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা) ও ১০৯ (সহযোগিতা) ধারায় অভিযোগ আনা হয়। মামলার বাদীর দাবি, আর্থিক লেনদেন ও আস্থার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আজ দুপুরে তিনি মেহেদী হাসান, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত–২, বগুড়ায় জামিন আবেদনের শুনানিতে অংশ নেন। প্রায় আধাঘণ্টার শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। আদালত মনে করেন, মামলার গুরুত্ব ও অভিযোগের প্রকৃতির কারণে জামিন দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়।
জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে পুলিশ তাকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকেই হেফাজতে নেয় এবং নিয়মিত প্রক্রিয়া শেষে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। আদালত এলাকায় এ সময় উপস্থিত আইনজীবী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
এদিকে, সাবেক পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ঘটনা স্থানীয়ভাবে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ পরে আদালত থেকে জানানো হবে।