
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ডিএপি সার অবৈধভাবে অন্যত্র পাচারের অভিযোগে শাহিন আলম নামে এক সার ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের জন্য নির্ধারিত সরকারি সারের একটি বড় অংশ নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্য জায়গায় পাচার করা হচ্ছিল। সার পরিবহনের সময় বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আসে। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা হাতেনাতে মেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত উক্ত ডিলারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এদিকে এই ঘটনার পর স্থানীয় কৃষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, চলতি মৌসুমে কৃত্রিম সার সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় একটি অসাধু চক্র নিয়মিত এ ধরনের অনিয়ম ও পাচারকাজে লিপ্ত রয়েছে। এর ফলে সাধারণ চাষিরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কৃষকরা অবিলম্বে এই চক্রের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান:
কৃষকদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন সর্বদা তৎপর। সার বিতরণ, মজুদ কিংবা পরিবহনে যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা কালোবাজারি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। কৃষকদের সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এই ধরনের ঝটিকা অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
সার পাচারের এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ডিলারের শাস্তির খবরে সাধারণ কৃষকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
