বগুড়ার শিবগঞ্জে নানার বাড়ীতে লালন-পালন হওয়া শিশুর র’হ’স্য’জনক লা*শ ভা’স’ছিল পুকুরে
মো: গোলাম রব্বানী তালুকদার শিবগঞ্জ (বগুড়া):
গত ৮ বছর পূর্বে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নের জামুরহাট গ্রামের মোস্তফা সরকার এর কন্যা মাহফুজার আক্তারের সাথে পারিবারিক বন্ধনে পাশের গাবতলী উপজেলার রামেশ্বপুর ইউনিয়নের জাইগুলি গ্রামের মুকুল পাইকর এর সাথে বিয়ে হয়। এরপর তাদের সংসারে ফুটফুটে আবদুল্লাহ আল মুহিত (৭) নামের একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।
শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম-পরিহাস।
গত ২ বছর পূর্বে আবদুল্লাহ আল মুহিত এর পিতা মাতার বিচ্ছেদ ঘটে।পিতা- পিতার ছেলে আবদুল্লাহ আল মুহিতের কোন খোঁজ খবর রাখে না। এদিকে টাকার পাহাড় গড়তে মা মাহফুজা আক্তার চলে যান প্রবাসে। একা হয়ে পড়েন শিশু আবদুল্লাহ আল মুহিত। বাবাও নেই মা-ও নেই সে যখন যাবে কোথায়?
যাওয়ার একমাত্র পথ হলো নানা বাড়ী বুড়িগঞ্জ জামুরহাট। হ্যাঁ নানার বাড়ীতেই আশ্রয় ঘটে তার। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (৩১আগস্ট)৷ আবদুল্লাহ আল মুহিত অন্যান্য দিনের ন্যায় বাড়ির বাহিরে খেলতে যায়। কিন্তু বিকাল পর্যন্ত তার কোন খোঁজ খবর পায় না- নানা মোস্তফা সরকার। অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে একপর্যায়ে বাড়ীর অদূরে পুকুরে শিশু আবদুল্লাহ আল মুহিতের ভাসমান লাশ দেখতে পায়। পরে এলাকাবাসী শিবগঞ্জ থানা পুলি’শ’কে খবর দিলে থানার এসআই মঞ্জয়সহ সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহের সু’র’তহাল প্রতিবেদন তৈরী করে মরদে থানায় নেয়। এবিষয়ে কথা বললে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন বলেন, নিহত শিশুর ম*র*দেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ম*য়*না* ত’দ’ন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ম’য়’না ত*দ*ন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃ*ত্যু কারন জানা যাবে।