মোঃ গোলাম রব্বানী তালুকদার (বগুড়া):-বগুড়ার শেরপুর ২ সন্তানের জননী গোলাপি বেগমের (২৮) কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে করছিল বিয়ে।
আজ শুক্রবার সকালে জেলার শাহজাহানপুর ও শেরপুর সীমান্তে ফারহানা ফিলিং স্টেশন নামক পাম্পের সন্নিকটে (ঢাকা-বগুড়া) মহাসড়ক থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গোলাপি কাফুরা পূর্বপাড়া গ্রামের ইকবাল হোসেনের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গোলাপির প্রথম বিয়ে একই এলাকায়। তাদের সংসারে রয়েছে ২ সন্তান। পরে একই উপজেলার টাউন কলোনী এলাকার বিবাহিত যুবক ইমনের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে গোলাপিকে প্রথমে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন ইমন। এর ৫ দিন পর গোলাপির পরিবার তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এর কিছুদিন পর ইমন আবারও ফুসলিয়ে গোলাপিকে ভাগিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোলাপীর পিতা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
২ মাস আগে তারা ফারহানা ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। তবে সাম্প্রতি ইমন ও তার প্রথম স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ায় গোলাপীর সঙ্গে তার বিরোধ বাড়তে থাকে। ইমন প্রায়ই গোলাপীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করত বলে অভিযোগ করেছেন গোলাপীর চাচা জিয়াউল হক।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার সকালে উল্লেখ্য, মহাসড়কের পাশে এক নারীর মরাদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হাইওয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রইচ উদ্দিন বলেন,
“প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।” এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।