পরকিয়া প্রেমের জেরে বিয়ে, সরকারের পতন হতেই অস্বীকার
আনোয়ার উল্লাহ (শরীফ)

জনগণের কন্ঠ প্রতিনিধি (চরফ্যাশন,ভোলা)
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায় দুই সন্তানের জননী কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। তবে উক্ত নারী স্ত্রীর মর্যাদা না পেয়ে স্বামীর বাড়িতে অনশনে বসেছেন।
সোমবার বিকেলে চরফ্যাশন পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়া হুমায়ুন কবির রাজনের বাড়িতে ওঠেন ভুক্তভোগী নারী। হুমায়ুন কবির চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
জানা গিয়েছে, ওই নারীর ১০ বছর আগে উপজেলার আবু বকরপুর গ্রামে বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যেই ২০২৩ সালে কবিরের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে একপর্যায়ে অবৈধ সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করেন হুমায়ুন কবির।
ভুক্তভোগী নারী জানান, পরকীয়া প্রেমের জেরে তাদের বাড়িতে একাধিকবার যাতায়াত করেন হুমায়ুন কবির রাজন। এর মধ্যেই গত বছরের জানুয়ারিতে চট্টগ্রামে আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা। কিছুদিন সেখানে থাকার পর হুমায়ুন কবিরের কথামতো স্বামীকে তালাক দেন তিনি। এরপর একই বছরের ৩১ জুলাই হুমায়ুন কবির রাজনের সাথে আমার বিয়ে হয়।
বিয়ের পর গোপনে সুখেই যাচ্ছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। এরই মধ্যে গর্ভবতী হন ভুক্তভোগী নারী। তবে বিপত্তি বাঁধে গত ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর। এমনকি আত্মগোপনে চলে যান হুমায়ুন কবির। সেই সাথে যোগাযোগ ও বন্ধ করে দেন। এছাড়া রাজনৈতিক সমস্যা দেখিয়ে গর্ভের সন্তান নষ্টের পরামর্শ দেন। এজন্য বাধ্য হয়ে তার বাড়িতে অনশনে বসেন এই ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হলে সম্পর্ক ও বিয়ের কথা অস্বীকার করেন হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, আত্মীয়তার সূত্র ধরেই ওই নারীর সঙ্গে আমার পরিচয়। তার চরিত্র ভালো নয়, সে আমাকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছে।
এই ব্যাপারে চরফ্যাশন থানার ওসি মিজানুর রহমানকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জনগণের কন্ঠ.কম
What's Your Reaction?






