শিক্ষক সমাজের ন্যায্য দাবি ও দীর্ঘদিনের বৈষম্য-বঞ্চনার অবসান ঘটাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শিক্ষক নেতা দেলোয়ার হোসেন আজিজী। তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং দৃঢ় নেতৃত্বে আজ হাজার হাজার শিক্ষক ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন। শুধু তাই নয়, শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের এই সংগ্রামে দেশের সাধারণ মানুষও আজ একাত্ম হয়েছেন।
এমন এক সময়ে যখন শিক্ষক সমাজ ঐক্যের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করছে, তখনই দৈনিক ইনকিলাব তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। পত্রিকাটিতে প্রকাশিত ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ শিক্ষক সমাজ গভীর ক্ষোভের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে।
শিক্ষক নেতাদের মতে, “আজিজী সাহেব শিক্ষকদের অধিকার আদায়ে যে লড়াই করছেন, তা দেশের মানুষেরও ন্যায্য দাবির সঙ্গে জড়িত। এ আন্দোলনে যখন সবাই একত্রিত হচ্ছে, তখন অপপ্রচার চালিয়ে তাঁকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
বাস্তবতা হলো, দেলোয়ার হোসেন আজিজী শিক্ষকদের সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য মাঠে থেকে কাজ করছেন। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষকদের আন্দোলন ইতিমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে এবং বাঁকিগুলো আদায়ের সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে।
শিক্ষক সমাজ বিশ্বাস করে, যে নেতা শিক্ষকদের বঞ্চনা ও বৈষম্যের অবসান ঘটাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো আসলে শিক্ষায় বৈষম্যের আন্দোলনকে দুর্বল করার অপকৌশল।
তাঁরা দৈনিক ইনকিলাব কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন, সাংবাদিকতার মান রক্ষা করে সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করার এবং মিথ্যা অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য।কোন পত্রিকা একজন শিক্ষক নেতাকে কখনো চিটার বলতে পারেনা।অনেকেই মনে করছেন ইনকিলাবের সম্পাদক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে।তাছাড়া এমন শব্দচয়ন কারও মুখে শোভা পায়না।
এ বিষয়ে বদলগাছী শিক্ষক সমিতির পক্ষে মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, শিক্ষকদের বৈষম্য দূর করণের
শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
আমাদের আন্দোলন শুধুমাত্র শিক্ষকদের বৈষম্য ও দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের জন্য। এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
আমরা ইনকিলাবকে অনুরোধ করছি—
আমাদের আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও তথ্য পাঠকের কাছে স্পষ্টভাবে জানাতে সংশোধিত বিবৃতি প্রকাশ করুন।
শিক্ষকদের সুনাম ক্ষুণ্ন করার মতো অপসংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন।