বামনা উপজেলা যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে বহুবিবাহ যৌতুক ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ

Aug 19, 2024 - 19:14
 0  49
বামনা উপজেলা যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে বহুবিবাহ যৌতুক ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সজীব ফরাজি  (বিশেষ প্রতিনিধি): বরগুনার বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের বুকাবুনিয়া গ্রামের মো. আবদুল খালেক মোল্লার ছেলে মো. সাইফুর রহমান সাদ্দাম। সাদ্দাম এস অন ফুড এন্ড বেভারেজ  চায়ের কম্পানির ডিলার তবে অভিজাত হোটেলের ম্যানেজারসহ বিভিন্ন পরিচয় রয়েছে  এই যুবকের। এসব পরিচয়ে ৩৪ বছর বয়সেই ৪ টি বিয়ে করেছেন তিনি।

জানা গেছে, যে নারী প্রতিষ্ঠিত অথবা বাবার অর্থ-সম্পদ আছে সেই নারীদের টার্গেট করে সাদ্দাম সম্পর্ক গড়ে তুলতেন, সম্পর্কের পর বিয়ে করে যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে  টাকা-পয়সা হাতিয়ে ডিভোর্স দিয়ে এবং পালিয়ে  যেতেন তিনি। এসব কারণে একাধিক বার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ নিলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকার কারণে কেউ মুখ পর্যন্ত খোলার সাহস পায় নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সে বামনা আওয়ামী যুবলীগের সহসম্পাদক পদে যুক্ত ছিলেন।

ধূর্ত সাদ্দাম যুবলীগের  পরিচয়ে ক্ষমতা খাটিয়ে এসব অপকর্ম অহরহ করে যাচ্ছে । তবে বিভিন্ন সময়ে দূর-দূরান্ত থেকে সাদ্দামের স্ত্রী পরিচয়ে অনেক নারী তার সন্ধানে আসেন।

২০১৪ সালে কাঁঠালিয়া  এলাকার মালেক খান বি এস সি স্যার এর মেয়ে ইসরাত এনি নামে একজনকে বিয়ে করেন তিনি। ২০১৭ সালে সম্ভবত বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা ইউনিয়নের বামনা ডিগ্রি কলেজ এর প্রফেসর মাসুদ সাহেবের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন কে বিয়ে করেন।২০২০ সালে মাদারীপুর শিবচর এলাকার ফিরোজ-লিপি দম্পতির মেয়ে অর্পা কে বিয়ে করেন।২০২৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার জাকিয়া সুলতানা নামের এক মেয়েকে বিয়ে করেন এবং প্রত্যেককে বিয়ের কিছু দিন পরে থেকে যৌতুকের জন্য কৌশলে চাপ দিত এবং না দিলে ডিভোর্স দিতো।এছাড়াও  লিমা নামের এক মেয়ের সাথেও তার পরকিয়ার সম্পর্ক রয়েছে।

সাদ্দামের চতুর্থ স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা দাবি করা, এক নারী বলেন, একটা মেট্রোমনি গ্রুপ থেকে তাদের পরিচয় হয় এবং তার সিভি দেখে পছন্দ হয়।সাদ্দাম এর মা বাবার সাথে কথা বলিয়ে দেয় এবং পুরো বিষয় টা পারিবারিক ভাবে সম্পন্ন হয়।সাদ্দাম এবং তার মা-বাবা আগের সব বিয়ে গোপন করে, খুবই ইসলামিক মানসিকতা দেখিয়ে বিয়ে করেন।বিয়ের পর থেকে নানান কৌশলে যৌতুক দাবি করতে থাকেন।একই সাথে তখন সে তৃতীয় স্ত্রীর সাথেও সম্পর্ক চালিয়ে যান,এবং সেই বাসায় যাতায়াত করে।জাকিয়া কে বাবার বাসা থেকে আনেন না এবং কোন প্রকার ভরণপোষণ দেন না।যৌতুকের জন্য কৌশলে তাকে মানসিক অত্যাচার করেন।

সাদ্দামের বাবা আবদুল খালেক মোল্লা, তিনিও ছেলের সকল প্রকার অপকর্ম জেনেও গার্ডিয়ান হয়ে ছেলে কে প্রতিবার পূর্বের বিয়ে গোপন করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow