পীরগঞ্জ হাসপাতালে যত অনিয়ম
১০/০৩/২০২৫

পীরগঞ্জ হাসপাতালে আনোয়ার হোসেন ফার্মাসিস্ট যখন ডাক্তার,, ঔষুধ দেওয়াতে স্বজনপ্রীতি, এতে আতঙ্কিত সচেতন মানুষ, বদলির দাবি সকলের। আনোয়ার হোসেন জরুরি বিভাগ এ বসে লিখছেন ঔষুধ। একজন ফার্মাসিস্ট ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া প্রেসক্রিপশনে লিখতে পারবেন না ঔষধ, কিন্তু জরুরী বিভাগে বসে লিখছেন তার মনোনীত কোম্পানির ঔষধ, নিচ্ছেন মাসিক কমিশন। পরিচিত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিজ খেয়াল খুশি মতো ওষুধ দিচ্ছেন আনোয়ার হোসেন । তিনি দীর্ঘদিন পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কর্মরত থাকায় গড়ে তুলেছেন স্বজনপ্রীতি, হাসপাতালে না গিয়ে, টিকিট না কেটে, আনোয়ার হোসেন কে ফোন দিলেই পাওয়া যাচ্ছে ঔষধ। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ম অনুসারে একজন রোগীকে ৫ টাকা টিকিট কেটে ডাক্তার দেখিয়ে, ওষুধ হাসপাতাল থেকে সংগ্রহের জন্য একটি ক্ষুদ্রা চুট লিখে দিবেন ডাক্তার সেই চুট অনুযায়ী হাসপাতাল থেকে নিতে হবে ওষুধ। কিন্তু আনোয়ার হোসেনের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পন্ন আলাদা, এইসব নিয়ম তোয়াক্কা করেই নিজ খেয়াল খুশি মতো বাইরের সুস্থ সবল লোকদের সম্পর্ক করে তোলার জন্য ইচ্ছামতো দিচ্ছেন ঔষধ । এতে অসহায় ও দরিদ্র মানুষেরা সরকারি ঔষধি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাহিদা অনুসারে ঔষধ আসার পরেও আনোয়ার হোসেনের স্বজনপ্রীতির কাছে হার মেনে যাচ্ছে অসুস্থ ও প্রকৃত দরিদ্র মানুষজন। উপজেলা সূত্র বলছে: তিনি নিয়ম অনুযায়ে সরকারি ডিউটি পালন না করে বরং অফিস সময়ে হাসপাতালের বাইরে ওষুধ কোম্পানির লোকদের সাথে আড্ডা দিচ্ছেন ঘন্টার পর ঘন্টা। তিনি দীর্ঘদিন এই হাসপাতালে কর্মরত থাকায় কোন নিয়ম তোয়াক্কা না করে, দেদারসে ইচ্ছামতো করছেন কাজ।
What's Your Reaction?






